অনলাইনে ইনকাম (Online Income) এর সেরা ১০টি জনপ্রিয় মাধ্যম

অনলাইনে ইনকাম (Online Income) এর সেরা ১০টি জনপ্রিয় মাধ্যম



হায় কেমন আছেন সবাই আসা করি সবাই ভালো আছেন অনলাইন ইনকাম” অনলাইন ইনকাম “ আজকাল কে না চায় অনলাইন থেকে ইনকাম” করতে তো আজকে আমি কি ভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা জায় তা নিয়ে পার্ট বাই পার্ট বিস্তারিত জানাবো আপনি কি ভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম  করবেন তো চলুন শুরু করা যাক কি ভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম  করা জায় 

অনলাইনে ইনকামঃ

 প্রযুক্তির বর্তমানে এর যুগে মানুষ-সকালে ঘুম থেকে উঠার পর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্ত-পর্যন্ত প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। মানুষের এই-প্রযুক্তি ও অনলাইন নির্ভর মানসিকতা ইন্টারনেটে-ইনকামের অনেক দার উম্মোচন করেছে।খুব সহজেই মানুষ ভালো একটা পরিমানের অর্থ অনলাইন থেকে-উপার্জন করছে। দেশের লাখ লাখ মানুষ এখন বর্তমানে এই অনলাইন ইনকাম (Online Income) এর উপরে নির্ভরশীল।

চাইলেই খুব সহজেই-ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আপনিও ইনকাম করতে-পারবেন। আপনি কি সেটি চান? যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।এই আর্টিকেলটিতে আমরা অনলাইন ইনকাম (Online Income) এর ১০টি জনপ্রিয় মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করতে চলছি এবং সাথে সাথে অনলাইনে আয়ের সেরা ১০টি উপায় আপনাদের সামনে তুলে-ধরবো। আপনি যদি এই সেক্টরে নতুন হন, এই আনুচ্ছেদটি আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।  

কিভাবে অনলাইনে আপনি ইনকাম করবেন? (How to Online Income?)

বাংলাদেশে অনলাইন-ইনকাম এর বিষয়টি আমাদের নতুন সমাজের কাছে নতুন একটি বিষয়  হয়ে দারিয়েছে কিন্তু সারা পৃথিবীতে শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই। ঘরে বসে নিজ স্বাধীনভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার এ সুযোগ কিন্তু খুব কম পেশায়তেই পাওয়া যায়।

তাছাড়াও অনলাইন ইনকাম (Online Income) এর জন্য আপনার বিশেষ কিছু প্রয়োজন হবে না। আপনার মেধা আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই যে কোনো কাজে দক্ষ হয়ে সেটা থেকে নিয়মিত অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারেন।আপনি ছেলে-মেয়ে,~ছাত্র,~চাকরিজীবী যাই হন না কেন, আপনি এই সেক্টর থেকে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি একজন ছাত্র-বা-ছাত্রী হয়ে আপনার পড়ালেখার খরচ যদি আপনি নিজে জোগাড় করতে পারেন, তাহলে কি সেটা খারাপ হবে?

প্রতিদিন তো অনেক সময় ফেসবুক,~ইউটিউব,~টুইটার,~ইত্যাদিতে ব্যায় করেই চলছেন। চাইলে এই সময় গুলো শুধু চ্যাটিং আর নিউজফিড ঘুরে সময় নষ্ট না করে এখান থেকে অনলাইন আয় করা সম্ভব।এছাড়া ও পড়ালেখার ফাকে~ফাকে বা আপনার অবসর সময়ে যদি এই কাজ করেন তাহলে দেখবেন সময় নষ্ট হচ্ছেনা তাছারা পাশাপাশি কোনো খারাপ দিকে মনও-যাচ্ছেনা।

আর আপনি যখন নিজের খরচ নিজেই জোগাড় করবেন অনলাইেন ইনকাম করবেন  , তখন দেখবেন আপনার নিজেরই ভেতরে অন্যরকম একটা সন্তুষ্টি কাজ করা শুরু করছে; অন্যরকম একটা~ভালোলাগা কাজ করছে।তাই আপনি অবশ্যই চেস্টা করবেন এই কাজের ভেতরে ঢুকে পড়ার। কিছুই লাগবেনা অনলাইন ইনকাম (Online Income)  শুরু করতে আপনার।শুধু একটি ডিজিটাল-ডিভাইস, আর ইন্টারনেট সংযোগ ~এবং কাজ করার অদম্য ইচ্ছা। কিভাবে কি করবেন তার বিস্তারিত নিচে আলোচনা করবো। 

অনলাইন আয় এর সেরা ১০টি মাধ্যমঃ

অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে কে না চায়! সবারই তো একটা ইচ্ছে থাকে অনলাইন থেকে কিছু আয় করার। বা নিজে নিজে কাজ করে ইনকাম করার। অনলাইন ইনকাম সোর্স অনেক আছে। কিন্তু তারমধ্যে ভালো~খারাপও আছে।

আমরা আজকে এই পোস্টে এমন ১০টি অনলাইন ইনকামের উপাগুলো জানাবো যেগুলো থেকে আপনি অনেকটা নিশ্চিন্তে অনলাইনে আয় করতে পারবেন, একই রকমভাবে স্বচ্ছলভাবেও আয় করতে পারবেন আপনি। বর্তমানে অসংখ্য মাধ্যম আছে অনলাইনে ইনকাম করার যেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এর মধ্যে থেকে সেরা ১০ টি উপায় নিচে পার্ট বাই পার্ট  দেয়া হলোঃ

ব্লগিং (Blogging) করে ইনকাম 


হ্যা ব্লগিং করে ঈনকাম অনলাইন আয়ের বেশ পুরাতন কিন্তু অনেকটা কার্যকরী একটা মাধ্যম। এই মাধ্যমে বেশ ভালো মানের একটা টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করা যায়।এটি একটি ডিজিটাল নিউজ~পেপার এর মতোই। আপনি আপনার মন মতো কোনো একটি বিষয় নিয়ে লেখালিখি করবেন। যার ওই বিষয়টি জানার দরকার সে এসে পড়বে।আপনি আমার যে লেখাটি পড়ছেন, এটিও কিন্তু একটি ব্লগ। তো বুঝতেই পারছেন বিষয়টা। লেখালেখি করার যদি আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন অনলাইনে ইনকাম ।

আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ, আছে  জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা বেশি বা যে ব্যপারে আপনি খুব ভালো জানেনে বা পারেন সে বিষয়ে ব্লগিং করলে তা সবথেকে বেশি কাজে দিবে।তাই আপনি যে বিষয়ে খুব পারদর্শী সেই নিশ নিিয়ে কাজ (niche) করতে পারেন। নিশ(niche) বলতে মূলত নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ বোঝায় যেমন, খেলাধুলা,~টেকনোলজি,~আইন,~রান্না,~জীবনী, ভ্রমন,~ইত্যাদি। উদাহরণ ভ্রমনের ক্ষেত্রে আপনি কোনো এক জায়গায় ভ্রমনে গিয়ে কি~কি অভিজ্ঞতা হয়েছিলো সে বিষয় নিয়ে একটি বিস্তারিত ব্লগ লিখতে পারেন।

এখানে মূল বিষয় হলো আপনি কোথায়~লেখা লিখি~করবেন। এক্ষেত্রে সব থেকে ভালো হয় আপনি যদি একটি ব্লগ~সাইট নিজে বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে ভালো হয়। এখন অনেক সহজে তেমন কোনো খরচ ছাড়াও সুন্দর একটি ব্লগ সাইট বানানো যায়। তবে ফ্রি সাইটগুলো কে মানুষ একটু কম বিশ্বাস করে।তাই আপনি চাইলে প্রথমে কিছু টাকা খরচ করে ডোমেন~কিনে হোস্টিং~ঠিক করে আকর্ষণীয় একটি সাইট তৈরি করতে পারবেন। এরপর ওখানে লেখা~লেখি শুরু করুন। দেখবেন বেশ ভালো  একটা রেজাল্ট পাচ্ছেন।

একটি (.com) ডট কম ডোমেন কিনবেন সাথে এক জিবি হোস্টিং~এবং একটি ফ্রি থিম। এই তিনটা জিনিস আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য যথেষ্ট হবে। এক্ষেত্রে আপনার তিন হাজার টাকা মতো খরচ হতে পারে বা তার থেকে একটু বেশিও হতে পারে ।এভাবে খরচ করে ব্লগিংশুরু করলে আপনার ব্র্যান্ডিং টাও ভালো হবে এবং ইনকাম এর পরিমানটাও অনেক বেশি হবে ফি সাইটের তুলনায়। আর ভবিষ্যতে আপনার সাইট এর দামওটাও অনেক হবে। অনেক সময় একটি ভালো সাইটের মূল্য কয়েক লক্ষ্য পর্যন্ত হয়ে থাকে।

আর ফ্রি সাইট গুলোর জন্য গুগল আপনাকে পুরো ডোমেইন দিবে না । আপনি সেক্ষেত্রে পাবেন একটি সাব~ডোমেইন। এভাবে ব্লগ সাইট খোলার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই ব্লগস্পট দিয়ে ১০ মিনিটেই একটি ব্লগসাইট খুলতে পারবেন।আর এক্ষেত্রে আপনি মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটি মাধ্যমেই কাজ করতে পারবেন। তাই যারা~মোবাইলে অনলাইন ইনকামের কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি একটি সেরা সুযোগতবে নতুন অবস্থায় আপনি যদি ফ্রী সাইট দিয়ে কাজ করতে চান তাও কাজ করতে পারবেন।তবে এর পাশাপাশি আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিংএর উপর কিছু নলেজ থাকে তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই~আপনার সেই ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে সক্ষম হবেন।  যার মাধ্যমে আপনি কিন্তু আপনার ইনকামের পরিমাণ বহুগুণে বাড়িয়ে তুলতে পারবেন খুব সহজেই তাই ডিজিটাল মার্কেটিংএর উপর কিছু নলেজ রাখুন।

ফ্রিলান্সিং (Freelancing) করে ইনকাম 


হ্যা ফ্রিলান্সিংকরে অনলাইনে ইনকাম অনলাইনে যেসব পদ্ধতিতে সবথেকে বেশি মানুষ অনলাইনে ইনকাম করে সেটি হলো ফ্রিলান্সিং।ফ্রিলান্সিং হলো জনপ্রিয় একটি মুক্ত পেশা বাংলদেশের বেকারত্ব কমাতেও এই খাতটি অনেক বড় একটি ভুমিকা পালন করছে এবং তার সাথে সাথে অনেক দক্ষ মানুষ~এই খাতে কাজ করে আমাদের দেশকে~রিপ্রেসেন্ট করছে।পুরো বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরছে। আসলে বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মানুষেরাই জানতোই না যে পৃথিবীর~মানচিত্রে বাংলাদেশ~বলে একটা দেশ আছে। সেসব মানুষের~কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করে তুলছে আমাদের দেশে~ ফ্রিল্যান্সারগণ।

সাথে সাথে প্রতি মাসে মিলিয়ন~মিলিয়ন (us) ~ডলার রেমিটেন্স তারা এনে~দিচ্ছে বাংলাদেশে। তাই~এই ফ্রিলান্সিং এ করে আপনিও অনলাইনে আয় করার পাশাপাশি এই গৌরবের অংশীদার হতে~পারেন।এখন বলি আপনি কিভাবে শুরু করবেন এই কাজটি। ফ্রিলান্সিং বলতে বুজায়  মুলত বিভিন্ন ধরনের কাজ যে কাজে আপনি দক্ষ যে ককাজ আপননি পারেন সে কাজটি একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এর বিনিময়ে করে দেয়া বা টাকার বিনিময়ে করে দেয়া।এখানে~আপনার কাজ করার এবং আপনার~ইমপ্লয়ার (Employer) তার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নাই। আপনি ঘরে~বসেই ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে আপনার কাজ করতে পারবেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন~দেশের। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে~থাকবে আপনি কাজ করলে সব কিছু বুজতে পারবেন।

যাইহোক, সবার প্রথমে এখানে আপনার দরকার হবে একটি নির্দিষ্ট বিষেয়ের উপর দক্ষতা। এটা হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং ~হতে পারে ফটো এডিটিং ~হতে পারে ওয়েব ডিজাইনিং ~ওয়েব সাইট মেকিং~ (Website Making), কপি রাইটিং ~(Copywriting),~ কন্টেন্ট রাইটিং ~(Content Writing), লোগো ডিজাইন ~(Logo Design) মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক ক্যটাগরি রয়েছে ইত্যাদি।এসবের যেকোনো একটি কাজের উপর আপনি দক্ষতা অর্জন করতে~পারলেই আপনি ফ্রিলান্সিং শুরু করতে পারবেন।  তবে আপনি যদি একাধিক ফ্রিলান্সিং কাজ পারেন সেক্ষেত্রে আপনার টাকা ইনকামের সুযোগটা বেশি হয়ে যায়। সম্পুর্ন কাজ শেখার পর আপনাকে বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং সাইট (যেমন- Freelancer,~Upwork,~Fiver, ইত্যাদি) এ ছাড়াও আরো ফ্রিলান্সিং সাইট আছে আপনার সকল তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে।

 এর পরে আপনি কোন কোন কাজে পারদর্শী~সেগুলো ওই সাইটে মেনশন করে লিখে দিতে হবে।তবে একটা বিষয় অবশ্যই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। বর্তমান সময়ে অনলাইন ইনকাম অনেক সাইট অনেক রয়েছে। কিন্তু সঠিক ও ভালো মানের সাইট খুব একটা নেই এখনো।তাই যেকোনো~ওয়েবসাইটে কাজ করার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে সাইটটি দেখে নিন। যদি সব কিছু দেখে আপনার কাছে ভালো মনে হয় তাহলেই আপনি সেই সাইটে কাজ করা শুরু করবেন তবে আমি যে সাইট গুলোর নাম বলেছি এই সাইট গুলো খুবই জনপ্রিয় এবং ট্রাস্টেড।এরপর, আপনি যে কাজগুলো পারেন তা প্রমান করার জন্য আপনার পূর্বেই বানানো কোনো কাজ থাকলে সেটা পোর্টফোলিও আকারে ওই ওয়েবসাইটে~সাজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে  ক্লায়েন্ট এসে আপনার পোর্টফলিও দেখে পছন্দ করলে~আপনাকে  তার কাজে নিয়োজিত করবে।তাই এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ থাকবে আপনি অবশ্যই ভালোমানের একটা পোর্টফলিও তৈরি করার জন্য কারন বেশিরভাগ~ক্ষেত্রেই নতুন হিসাবে ওই পোর্টফোলিও গুলোই আপনাকে কাজ পেতে অনেকটা সহায়তা করবে।

প্রথম~প্রথম আপনাকে~কাজ পেতে একটু সমস্যা হতে পারে। তাই বলে হাল ছারবেন না সেক্ষেত্রে আপনার পরিচিত যদি কেও যদি ফ্রিলান্সার~থাকে তার রেফারেন্স নিতে~পারেন।তার রেফারেন্স~এর মাধ্যমে আপনি যখন কাজ পেয়ে আপনার প্রথম ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে ভালো একটা রিভিউ দিবে, তখন দেখবেন আপনার কাজ আসতেই থাকবে তাই সবসময় ঘুছিয়ে কাজ করুন ।এছাড়া~ প্রথমে গিয়ে বিভিন্ন ~কন্টেস্টে অংশগ্রহন করতে পারেন। এখান থেকেও~ ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়। আমাদের মতে ফ্রিলান্সিং এর ক্ষেত্রে প্রথম কাজটা পাওয়াই একটু কঠিন হয়ে দারায় তাই বলে হাল ছারবেন না কাজ চালিয়ে যান ধৈর্য ধরুন সবকছু ঠিক থাকলে আপনি কাজ পাবেন ।

ইউটিউবিং করে ইনকাম 


হ্যা ইউটিউবিং করে ইনকাম বাংলাদেশে অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। আপনি কিন্তু চাইলেই ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে অনলাইন ইনকাম করা শুরু করতে পারেন। এই ভিডিও তৈরি করতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও~চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় যারা ইউটিউবার-মোবাইল দিয়ে ভিডিও তৈরি করে শুরু করে-তাদের ইউটিউব যাত্রা শুরু করে। তারপরে সফল হওয়ার পরে এখন তারা দামি-দামি অনেক~গেজেট ব্যবহার করে।

আপনার কন্টেন্ট-যদি ভালো হয়, প্রয়োজনীয় বিষয়~নিয়ে যদি আপনি ভিডিও-বানাতে পারেন, তাহলে ই খুব তাড়াতাড়িততেই আপনি ভিউয়ারস পেয়ে-যাবেন।তবে এক্ষেত্রে একটি ছোট্ট বিষয় টিপস বলে রাখি আপনাকে। আপনারা যদি সত্যি প্রফেশনালভাবে-ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান বা ইচ্ছা থাকে তাহলে ভিডিও অডিও  এডিটং খুব ভালো ভাবে করতে হবে প্রফেশনাল মানের হতে হবে।এরপরে সর্বনিম্ন~এক হাজার সাবস্ক্রাইবার পূর্ন হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ভিউ টাইম পূর্ন  হয়ে গেলে আপনি~মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে~পারবেন। তাটপরে প্রতিটা ভিডিওতে মনিটাইজেশন-একটিভ করে নিলেই আপনার ইনকাম করা শুরু হবে।

ইউটিউব কত ভিউ এ কত টাকা দেয়? কত সাবস্ক্রাইবারে কত টাকা দেয়


তাছাড়াও বর্তমানে সময়  ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়াও আপনি-বিভিন্ন জায়গা থেকে বড় বড় কম্পানি স্পন্সারের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। একটা কোম্পানি কোনো একটা পন্যের~মার্কেটিং এর জন্য আপনার ভিডিও গুলোতে তার ওই পন্য বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য বলবব। আপনি এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দিতে রাজি হলে আপনাকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী সে  টাাকা পেমেন্ট করবে এভাবেও ইনকাম করতে পারেন।

ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম


হ্যা ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম।ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার বিষয়টা হয়ত অনেকে জানে না। সত্যি কথা বলতে অনলাইন~থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকের কাছে অবাক লাগলেও-ঘটনাটি কিন্তু একদম সত্যি। বর্তমানে সময়ে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে-আপনাকে প্রতিদিন ভিডিও দেখার জন্য টাকা পেমেন্ট করা~হবে। তবে এটাাও মনে রাখবেন, অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকাম করার মতো অনেক স্ক্যাম বা ভূয়া সাইট আছে। যারা আপনাকে দিয়ে ভিডিও-দেখিয়ে পরবর্তীতে সময় কোনো পেমেন্টই করবে না।

 তাই এ ধরনের প্রতারণার হাত-থেকে বাচঁতে অবশ্যই আপনাকে অনলাইন~জগতে সব সময় সর্তক থাকতে হবে এবং অনলাইন ব্যপারে জানতে হবে। সাধারনত ভাবে এই ধরনের ওয়েবসাইটতে বিভিন্ন ধরনের লোভনীয় বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনাকে ফাদে ফালানোন চেষ্টা করবে-তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে লোভনীয় ভিডিও-দেখিয়ে আয় করার-ফাঁদে ফেলার। 

বিষয়-সব সময় মনে=রাখবেন। তবে-অনলাইনে কখনই কোনো ওয়েবসাইট আপনাকে ভিডিও দেখিয়ে খুব বেশি টাকা পেমেন্ট করবে-না।যখন দেখবেন যে কোনো ওয়েবসাইট-মাত্রাতিরিক্ত টাকা-পেমেন্ট করার কথা বলছে কিংবা কোনো লোভভনীয়-বিজ্ঞাপনের(এড) কথা বলে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে আয় করাার কথা বলছে; তখন-ওয়েবসাইটটিকে খুব-ভালো ভাবে দেখে বুজে নিন যদি সত্যিকার-অর্থেই তাারা টাকা দেয় আসল বলে আপনার মনে হয় তখন করবেন; অন্যথায় নয় কাজ করবেননা। 

ওয়েবসাইট (Website) বানিয়ে ইনকাম 


হ্যা ওয়েবসাইট বানিয়ে ইনকাম এখন সময়ে অনেকেরই পারসোনাল ওয়েবসাইট বিজনেস ওয়েবসাইট রয়েছে আপনি হয়তো জেনে-থাকবেন যে একটি ভালো ওয়েবসাইটের-দাম লাখ টাকা-ছাড়িয়ে যায় বা এর বেশিও হয়। আপনি চাইলে এরকম ওয়েবসাইট বানাতে~পারেন এবং সেটি ভালো করে অনেক বেশি-দামে বিক্রি করে দিতে পারেন। ওয়েবসাইট বানানো বর্তমানে ফেসবুক-অ্যাকাউন্ট খোলার মতো সহজই। যে কেউ চাইলে এটি করতে পারেন।তবে যে-সাইট গুলো খুব সহজেই বানানো যায়, সেগুলোর তেমন বেশি একটা চাহিদা থাকে না।

 তাাই আপনার সাইটে যদি~পরিমিত পরিমান-ট্রাফিক বা ভিজিটর-থাকে, তাহলে ভালো দাম পেতে পারেন । যে সাইট গুলো খুব বেশি দামে বিক্রি-হয় সেগুলো-দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার দ্বারা বানানো হয়ে থাকে।তাই আপনি~যদি একজন ভালো ওয়েব ডিজাইনার হয়ে থাকেন, বা ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে চান-সেক্ষেত্রে আপনি নিজে নিজে-ভালো একটি ওয়েবসাইট তৈরি  করে সেখানে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট আপলোড করে সেখান~সাইটটি সচল করে তুলে সেটিকে অনেক ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন। আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিতে ভিডিও দেখে বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব ডিজাইন কোর্স করেও~শিখতে পারেন ওয়েব ডিজাইনিং। 

আবার অনেক ক্ষেত্রে সময় নতুন সাইটও বিক্রি করতে-পারেন যদি আপনার হাতে ভালো ক্লায়েন্ট-থাকে। আর এই কাজটির~একটি ভালো দিক হচ্ছে আপনি যদি এই কাজে একবার দক্ষ হতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন জায়গা-থেকে কাজের সুযোগ আসবে আপনার-আবার চাকরির জীবনে এই অভিজ্ঞতা অনেক বড় কাজে আসবে-আপনার তাই আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন।

ড্রপশিপিং (Dropshipping) করে এর মাধ্যমে ইনকাম 


হ্যা ড্রপশিপিং করে অনলাইনে ইনকাম। ড্রপশিপিং (Dropshipping) অনলাইন ব্যবসার-অন্তর্গত কাজ যার-মাধ্যমে খুব সহজে~ অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। তো চলুন প্রথমেই জেনে নেয়া যাক ড্রপশিপিং (Dropshipping) আসলে-কি। আপনাকে একটা উদাহরন দিয়ে বুঝালে আপনি খুব সহজে বুঝে~যাবেন ড্রপশিপিং আসলে-কি।

মনে করুন, আপনার~এলাকায় আপনার পরিচিত একজন বা পরিচিত কোনো কম্পানি একটা পন্য তৈরি করে-সেটা বাজারে 600 টাকায় বিক্রি করে। আপনি সেখানে~খোঁজ নিয়ে দেখলেন যে এই~পন্যটিই শহরে বড়~বড় মার্কেটে বা কোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইটে 1600 টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।এরকমটা~কিন্তু আমাদের দেশে প্রায়সময় হয়ে চলেছে। দেখা গেলো কোনো একটা সবজি কৃষকদের কাছ~থেকে 6 টাকা কেজি~মূলে কিনে বড়~বড় যে সব বাজার আছে ওই~বাজারে ওই সবজি গুলো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ।

 এক্ষেত্রে আপনি চাইলে নিজে বড়-একটি ই-কমার্স ওয়েব (E-Commerce) সাইটে প্রোফাইল খুলে~ওই পন্যটি বিক্রি করা শুরু~করতে পারেন। আপনার এলাকার~যে উৎপাদনকারী আছে তার থেকে পন্য টা 600 টাকায় কিনে নিয়ে সেটি~আপনার প্রোফাইলে 1500 টাকায় বিক্রি করতে পারেন।এতে করে আনার একটি পন্যেই 900 টাকা লাভ হচ্ছে। বা আপনি যদি 1300 টাকায় ও বিক্রি করেন-তাতে আপনার700টাকা লাভ হচ্ছে। এটি হচ্ছে মুলত~ ড্রপশিপিং (Dropshipping)। আপনার~এলাকায় যদি এরকম কোনো সুযোগ ~থাকে তাহলে আপনার অবশ্যই উচিৎ সুযোগটিকে আপনার কাজে লাগানো।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) করে ইনকাম


হ্যা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকাম ।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) বর্তমানে সারা বিশ্বে একটি জনপ্রিয়-একটি অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশেও এখন আস্তে-আস্তে করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার দের সংখ্যা অনেক বাড়ছে।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  এটি অনেক সহজ একটি-মাধ্যম। কিন্তু সাধারন-মানুষের অনেকেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা নাই এ কারনে এই কাজে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে~না। তো চলুন বিষয়টা খুব-সহজে বুঝে নেই আপনিও পারবেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইনে ইনকাম করতে ।

এই-বিশ্বজুড়ে হাজার-হাজার অসংখ্যা ই-কমার্স ওয়েব সাইট (E-Commerce) সাইট রয়েছে। তাদের ভেতরেই অনেকগুলো আবার সারা বিশ্বেই~পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে। এইসব ই-হলো কমার্স । কমার্স  (E-Commerce) সাইটে প্রত্যেকটাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) নামে একটি আলাদা সেকশন থাকে।আপনি সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজে তাদের রিসলার হয়ে~যেতে পারেন। এরপর আপনার~একটা গ্রুপ তৈরি করতে হবে না থাকলে করে নিন আপনার-বন্ধু, এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের, তাদের নিয়ে। এরকম গ্রুপ আমাদের প্রতিটি মানুষেরই থাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতেই।

এখন ওই ই-কমার্স ওয়েব (E-Commerce) সাইট থেকে বিভিন্ন পন্যের বিবরন গুলো সহ ওই লিঙ্কটি কপি করে বিভিন্ন গ্রুপে পাঠাতে পারেন। ওখানে থেকে ওই লিঙ্কে~যদি কেউ~ক্লিক করে~পন্যটি কিনে থাকে তাহলেই আপনি~সেটার থেকে নির্দিষ্ট পরিমানে একটি কমিশন টাকা পাবেন।তবে এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার কমিশনের জন্য, পন্যটির দাম বাড়বে না। পন্যটির আসল যে দাম সেটি দিয়েই  মানুষ-কিনতে পারবে পন্যটি আপনার-পাঠানো লিঙ্ক-থেকে।তবে এই ধরনের কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং এর সর্ম্পকেও পরিষ্কার এবং সুস্পষ্ট একটা ধারনা থাকা হবে।

এভাবেই আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন যদি সম্ভব হয় যদি আপনি ভালো একটি কমিউনিটি ও তৈরি করতে পারেন। এছাড়া ও আপনি এখান থেকে ইমেইল মার্কেটিং করে এর মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারবেন।এর জন্য আপনার দরকার পরবে অনেক গুলো একটিভ ইমেইল বা ভেলিড ইমেইল । আপনি যদি হাজার খানেক একটিভ-ইমেইল ম্যানেজ করতে পারেন, তাহলে খুব সহজেই এখানে-থেকে ভালো-অঙ্কের একটি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।বর্তমানে সময়ে অ্যামাজন এফিলিয়েশন প্রোগ্রাম, (Amazon Affiliatoin Program ),বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

অনলাইনে পড়িয়ে (Online Teacher) ইনকাম  


হ্যা অনলাইনে পড়িয়ে ইনকাম আপনার আসে-পাশে অনেক মানুষই দেখতে পাবেন বাসায়-বাসায়গিয়ে বা কোনো কোচিং সেন্টার~খুলে ~পড়াচ্ছে। এভাবে পড়িয়ে মাস শেষে অনেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন বা এর বেশি। কিন্তু এভাবে বাসায় গিয়ে-গিয়ে পড়ানোর চেয়ে অনেক -সময়  ইনকামের অর্থ যাতায়াত করতে-করতে চলে যায়।অন্যদিকে কোচিং-সেন্টার বানানোর জন্য জায়গা জোগাড় করাও একটি কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়ে পরে। 

বর্তমানে সময়ে বাংলাদেশে যে-বিষয়টি খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সেটি হলো অনলাইন টিচার (Online Teacher) সারা বিশ্বেই এখন অনলাইনের মাধ্যমে পড়ানো হয়।আপনি যদি টিচার হয়ে থাকেন- তাহলে আপনিও চাইলেই ঘরে~বসেই অনলাইনে ছাত্রদের পড়িয়ে অর্থ উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি জেনে অবাক হবেন যে বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষকই অনলাইনে শিক্ষা দিচ্ছে।ভারতেও এর অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে । বর্তমানে সময়ে আমাদের দেশে এরকম কয়েকটি প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে অনলাইনে~পড়ানো হয়ে। এর মধ্যে টেন মিনিট স্কুল প্লাটফর্ম টি অন্যতম একটি প্লাটফর্ম ।

আপনি প্রথমে তাদের থেকে অনেক ধারনা নিতে~পারেন। প্রথমে হয়তো বিভিন্ন বাধা বিপত্তি আসতে পারে, যেমনঃ ছাত্র খুজে পেতে হবে, কিন্তু পরবর্তীতে সময়ে অনেক সুবিধা ও পেতে পারেন এখানে-থেকে একবার সবকিছু সেটআপ করে নিলে আর বাধা আসবে না সহজে ইনকামও করতে পারবেন।

ছবি বিক্রি (Sell Photos Online) করে ইনকাম 


হ্যা ছবি বিক্রি করে অনলাইন ইনকাম  আমাদের বর্তমান জেনারেশনের স্মার্টফোন নেই এমন মানুষের সংখ্যা পাওয়াই জাবে না। আবার অনেকের কাছে বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরাও আছে। তো আপনিও চাইলে আপনার এই মোবাইলের মাধ্যমে-সহজেই ছবি বিক্রি করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।সেক্ষেত্রে আপনার কাজ হলো আপনাকে শুধু বিভিন্ন আকর্ষণীয় জিনিসের ছবি তুলতে-হবে। সেটা আপনি আপনা মোবাইল ফোন দিয়েও তুলতে পারেন আবার ক্যামেরা দিয়েও তুলতে পারেন যেটি দিয়েই তুলেন না কেন ফটো আকর্ষণীয় হতে হবে ।

তারপর চাইলে আর একটু আকর্ষণীয় করার জন্য এডিট করে অথবা “র” (Raw) ফাইলই-বিভিন্ন ওয়েবসাইটে-আপলোড করে সেখান থেকে এক একটি ফটোর জন্য 50 ডলার থেকে শুরু-করে 500 ডলার পর্যন্ত~আয় করতে পারবেন তাই ফটো আকর্ষণীয় করে তুলুন ।আর আপনি-যদি অল্প-সল্প ফটো এডিটিং-জানেন, তাহলে অনেক সুবিধাই লাভ করতে-পারবেন। (Photoshop, Illustrator )ইত্যাদির মাধ্যমে ছবির আকর্ষণীয়তা অনেক ক্ষেত্রেই -বাড়ানো যায় আপনি অনলাইন থেকে ফ্রী তেও শিখতে পারেন।অনলাইনে ছবি বিক্রি করার জন্য অনেকগুলো ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন । তার মধ্যে, (Shutterstock, 500px, Envato )খুবই জনপ্রিয় এবং সব থেকে বেশি পে করে থাকে ফটোগ্রাফারদেরকে তাই বুজতেই পারছেন আপনার ফটো টি আকর্ষণীয় হতে হবে।

ইন্ডিয়ার সন্দিপ~মহেশ্বরীর কথা তো অনেকেই শুনে থাকেন। প্রত্যেকটা টেকনোলজি বিষয়ক সেমিনার বা~স্টেজ সো-তে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন। তিনি ফটোগ্রাফিকে নিজের পেশা হিসেবে~নিয়েছেন ।এই ফটোগ্রাফি সেক্টরে তিনি ভীষণই সফল~একজন মানুষ। তার নিজেরও ফটো বিক্রির একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে দেশ-বিদেশের সকল ফটোগ্রাফার কাজ করে ।আপনি এ সব ওয়েবসাইটেতে যে ছবি গুলো বিক্রি করবেন সেগুলোই আবার ওই ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন মানুষ কিনে নিবে। এ সব ছবি ,গ্রাফিক ডিজাইন্‌ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে ভুমিকা পালন করে। বিভিন্ন-বইয়ের কাভারগুলোতে,-ব্যানারে, ফেস্টুনে-এ সব ছবি বিক্রি এবং ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাই আপনি ফটো বিক্রি করে অনলাইন ইনকাম করতে পারেন।

অনলাইন সার্ভে (Online Survey) করে ইনকাম 

অনলাইন সার্ভে হ্যাঁ আপনি অনলাইন সার্ভে করেও অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন অনেক বড়-বড় কোম্পানি রয়েছে যারা গ্রাহকের কাছ থেকে ভালো ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের পেইড সার্ভেগুলো করে থাকে। অনেক দেশে সরকারীভাবে বিভিন্ন-সার্ভে করা হয়ে থাকে। তাদের-দেশের সার্বিক অবস্থা দেশের জনগন-কতটা সন্তুষ্ট এবং এটা জানার জন্য সরকার এই সার্ভে গুলো করে । বড়~বড় কোম্পানিগুলোই তারাইবেশির ভাগ অনলাইন সার্ভের ব্যবস্থা করে ।

এই সার্ভে সাধারনত পেইড হয়ে থাকে। তাই আপনি চাইলেই এসব সার্ভেগুলো করে প্রতি মাসে ভালো মানের একটি ইনকাম করতে পারেন। অনেক সময়-বড় বড় কোম্পানি একটি সার্ভের জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত ও ব্যায় করে । এই সার্ভে-গুলো নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে পরিচালিত করা হয়।

আপনাকে এর জন্য ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট খুলতে হবে প্রথমে। এরপর আপনার সব ইনফর্মেশনগুলো দিয়ে অ্যাকাউন্টি আপডেট করে নিতে হবে আপনি কাজ শুরু করার জন্য~প্রস্তুত। তবে প্রথমে প্রতিটি সার্ভেতে আপনি কুয়ালিফাই হতে পারবেন না। যে সার্ভে গুলো আপনার অ্যাকাউন্ট-এ দেওয়া তথ্যের সাথে মিলে সেগুলো~আপনি করতে পারবেন তবে সার্ভে করার জন্য আপনাকে ইংরেজী জানতে হবে।

অনলাইন রিসেলিং (Online Reselling) করে ইনকাম 

 হ্যা অনলাইন রিসেলিং  করে ইনকাম  অনলাইনে-পন্য বিক্রি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশে বড়-বড় বেশ কয়েকটি অনলাইন ব্যবসা আছে। আপনিও চাইলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে বড় পর্যায়ে শুরু-করতে হবে। এতে আপনার প্রায় সময়টাই-ব্যয় করতে হবে এবং সাথে সাথে আরও অনেক দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেটা ছাত্রজীবনে করাটা অনেক কষ্টকর হয়।আপনি অনলাইন-রিসেলিং (Online Reselling) করে ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

 অনলাইন রিসেলিং হচ্ছে মুলত অনলাইনে-পন্য বিক্রি করার কাজ এক্ষেত্রে আপনাকে বেশি কিছু করতে হবেনা।শুধু একটি রিসেলিং-কোম্পানি (Reselling Company) তে আপনার একাউন্ট খুলা লাগবে এবং পন্যের ছবি প্রডাক্ট ডিটেলস এর বিবরন নিয়ে আপনি নিজেই একটা পেজ খুলে বিক্রি করবেন।রিসেলিং কোম্পানিগুলোর কাছে আপনি অনেক কম দামে প্রডাক্ট পাবেন আর ও ইগুলো তার থেকে সামান্য-বেশি দামে বিক্রি করে আপনি নিজের লাভ বের করে নিবেন।

 বেশ কিছু রিসেলিং কোম্পানি (Reselling Company) বাংলাদেশে আছে। এর মধ্যে শপআপ ও  (ShopUp) অন্যতম একটি রিসেলিং কোম্পানি।এখানে পন্য বিক্রয় করার জন্য আপনের নিজের কোনো পন্যই থাক লাগবে না। পন্য যোগাড় থেকে শুরু করে বাকি যত সব কাজ সব ওই রিসেলার কোম্পানি করবে ।

অনলাইনে ইনকাম মোবাইল দিয়ে

বিকাশের মতো অনেকেরই মনে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে যে মোবাইল দিয়ে কী অনলাইনে ইনকাম করা আসলেই কি যায় । সত্যি~করে বলতে বিকাশের মতোই একদম সহজে এক কথায় যদি উত্তর দিলে~বলবো ‘না’। আপনি মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে আয় করা জায় না।উপরে যে বিষয়গুলো সর্ম্পকে অনলাইন থেকে আয়ের আলোচনা করছি সেই কাজগুলি ভালোবে করতে গেলে-একটি মোবাইলের থেকে একটি কম্পিউটার লাগবেই-আপনার জন্য এবং কাজ করতে ও বেশি ভালো হবে।

 আমি এমনটা বলছি না যে মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে একেবারেই আয় করা যাবে না। অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে যারা শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে-ভিডিও বানিয়ে আজ অনেক লাখ লাখ সাবস্ক্রাইবার ও ভিউস পেয়েছে।এমনও অনেকে আছে যারা মাত্র একটি মোবাইল দিয়ে ফেসবুক পেজ পরিচালনার মাধ্যমে তাদের অনলাইন ব্যবসা দিন দিন বড় করে তুলছে তো আপনি কেন পারবেন না। 

কিন্তু আপনি যদি একদম সত্যিকার অর্থেই অনলাইন থেকে ভালো আয় করতে চান অনলাইন ইনকাম করতে চান  তাহলে কিন্তু আপনার একটি ভালো মানের কম্পিউটারে লাগবেই । না হলে আপনার পক্ষে প্রফেশনালভাবে অনলাইনে কাজ করাটা অনেক কষ্টকর হবে। 

শেষ কথা 

অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম (Online Income) বর্তমানে সময়ে বহুল প্রচলিত একটি বিষয় যা ঘরে বসে ইনকাম ও নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির করা যায়  অনলাইন ইনকাম এমন একটি মাধ্যম।যার  মাধ্যমে হাজার হাজার বেকার যুবকরা বসে না থেকে এই পথে নেমেছে। 

আমরা আশা করি এই আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা সকল বিষয়গুলো আপনারা সম্পূর্ণভাবে বুঝেছেন। তারপরও কোনো বিষয়ে-কোনো প্রশ্ন-থাকে আপনার সেটি কমেন্ট বাক্সে জানাবেন আর এই লেখাটি যদি আপনার একটুও উপকার এসে থাকে তাহলে আপনার পরিচিতজনদের কাছে শেয়ার করবেন। আপনার অনলাইন যাত্রা শুভ হোক । 


ট্যাগঃ

অনলাইনে ইনকাম সাইট
অনলাইনে ইনকাম করার সহজ উপায়
কিভাবে অনলাইনে ইনকাম করা যায়
অনলাইনে ঘরে বসে ইনকাম
ঘরে বসে ইনকাম
সহজে অনলাইন ইনকাম
অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট ২০২২
অনলাইনে ঘরে বসে আয়
ছাত্রদের অনলাইনে ইনকাম

Next Post Previous Post
1 Comments
  • https://livehealthuk.com/
    https://livehealthuk.com/ September 11, 2022 at 7:32 PM

    সাহায্য করার জন্য ধন্যযোগ মহোদয়
    https://livehealthuk.com/

Add Comment
comment url