ইন্টারনেট টিপস

 ইন্টারনেট টিপস

আজকে আমরা যে টপিক। নিয়ে কথা বলবো

সেটি হলো ইন্টারনেট টিপস মানে ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়মএই নিয়ম মানলে আপনার ফোন হ্যাক হওয়া এবং ভাইরাস ইত্যাদি থেকে নিরাপদ থাকবে অনেকেই আছেন ইন্টারনেট ব্যাবহার সম্পর্কে তেমন আইডিয়া নেই বা জানেন না ফলসরূপ অনেকের ফোন হ্যাক হয়ে যায় ভিবিন্ন ভাইরাস ডুকে ফোনে নানা ধরনের ক্ষতি করে তাই ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস শেয়ার করব

তো চলুন শুরু করি

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার জন্য এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেওয়া হল।

আধুনিক বিশ্ব ইন্টারনেট ছাড়া অকেজো। আমরা সকলেই কোনো না কোনোভাবে ইন্টারনেটের সুবিধা ভোগ করছি। যেহেতু আপনি এই পোস্টটি পড়ছেন, আপনি ইন্টারনেটেও আছেন। আমরা প্রতিদিন কতগুলি সাইট পরিদর্শন করি, আমরা যত বিষয়বস্তু দেখি না কেন। 

আর এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা নানাভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের চোখে ধুলো দিয়ে নানা ধরনের ক্ষতি করছে। কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডিলিট করছে, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি করছে, ভুয়া তথ্য দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছে, পাসওয়ার্ড জেনে প্রতারণা করছে, আরও কত কী! এসব সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকার কিছু টিপস নিয়ে আজকের পোস্ট। চলুন শুরু করি.

ডাউনলোড করার সময় সতর্ক থাকুন।

ইন্টারনেটে বিভিন্ন সাইট ব্রাউজ করার সময়, আপনি চটকদার বিজ্ঞাপনে ডাউনলোড করার জন্য অনেক অফার দেখতে পাবেন। এগুলো ক্লিক করার আগে দুবার ভাবুন। পরিচিত এবং বিশ্বস্ত সাইট ছাড়া অন্য সাইট থেকে ডাউনলোড করার সময় সতর্ক থাকুন।  

বিভিন্ন সাইটে হ্যাক করা ফাইল,ক্রাক কীজেন ইত্যাদির ফাইল থাকে ডাউনলোড করার পর চেক করলে ম্যালওয়্যার/ভাইরাস পড়ে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি কোনো নির্ভরযোগ্য সাইট থেকে বা নির্ভরযোগ্য সাইট বাদে অপরিচিত সাইট থেকে ডাউনলোড না করেন। এবং আপনি ডাউনলোড করা ফাইল স্ক্যান করতে যেকোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার (যেমন উইন্ডোজ ডিফেন্ডার সকল উইন্ডোজ এটি ডিফল্ট ভাবে থাকে) ব্যবহার করতে পারেন।

পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।


পাসওয়ার্ড মনে রাখার ভয়ে অনেকেই একাধিক সাইটের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন। কিন্তু এটা মোটেই ঠিক না। কারণ, এতে আপনার ঐ পাসওয়ার্ডটি বেহাত হয়ে গেলে আপনার সকল অনলাইন একাউন্ট ঝুঁকিতে পড়বে। নিজে পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা এড়াতে একটি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন। 

বিভিন্ন ব্রাউজার, যেমন গুগল ক্রোম, ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ প্রভৃতিতে বিল্ট-ইন পাসওয়ার্ড ম্যানেজার থাকে। এগুলো অনলাইনে সিঙ্ক্রোনাইজ করে একাধিক ডিভাইসে এক্সেস করা যায়। সুতরাং আপনি চাইলে এসব সেবা ব্যবহার করতে পারেন। এবং অবশ্যই কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন ও প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে লিখে রাখুন। দুটি জনপ্রিয় পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপের নাম হচ্ছে লাস্টপাস এবং ওয়ানপাসওয়ার্ড এছাড়াও আরো অ্যাপ রয়েছে।

ব্রাউজারের এড্রেসবার লক্ষ্য করুন।

এমন অনেক আক্রমণকারী আছে, যারা জনপ্রিয় সাইটের মত দেখতে নকল সাইট তৈরি করে হুবাহু ওই সাইটের মতো এটাকে ফিশিং সাইট বলে সেখানে লোকজনকে নিয়ে লগইন করতে বলে। অনেক ভিজিটররা তখন তাতে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার ভুল  প্রচেষ্টা করেন। 

এই সমস্যা থেকে সর্তক থাকতে অনলাইনে তথ্য দেয়ার আগে ব্রাউজারের এড্রেসবার লক্ষ্য করুন যে আপনি কোন সাইটে আছেন। এক্ষেত্রেও একটি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ দারুণ কাজে আসতে পারে । কারণ, একটি সাইটের জন্য আপনার সেইভ করা পাসওয়ার্ড অন্য সাইটে নিজ থেকে সাজেস্ট করবে না সুতরাং। 

যখন আপনার পাসওয়ার্ড সেভ করা সাইটের লগইন পেজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসওয়ার্ড দেখাবে না , তখন এড্রেস বার দেখে নিশ্চিত হয়ে নিবেন যে আপনি আসলে কোন সাইটে আছেন। এড্রেসের শুরুতে সবুজ রঙে HTTPS থাকাটা অনেক জরুরি। কারণ শুরুতে HTTP (S থাকেনা) এমন লেখা সাইটগুলো ব্রাউজ করার সময় ইন্টারনেট কানেকশন হ্যাক করে তৃতীয়পক্ষ বা হ্যাকার আপনার গোপনীয় তথ্য (পাসওয়ার্ড, ডেবিট কার্ড তথ্য প্রভৃতি) জেনে ফেলতে পারে।

অনলাইন একাউন্টে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করে রাখুন।


টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন পদ্ধতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলো সেগুলোর ইউজারকারীদের ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ছাড়া বিকল্প একটি উপায়ে পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। এটি ব্যবহার করলে প্রতিবার নতুন ডিভাইসে/ব্রাউজারে আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবায় (উদাহরণস্বরূপ জিমেইলে) সাইন ইন করার সময় একাউন্টের ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ইনপুট করার পর ও সেখানে আরেকটি পিন কোড দিতে হবে। 

এই কোডটি মোবাইলে এসএমএসের বা কলের  মাধ্যমে আসে। এগুলোকে সিক্যুরিটি কোডও বলা হয়, যা প্রতিবারই সার্ভার থেকে সেন্ড করা  হয়। ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও একই সময়ে আপনার মোবাইল ফোনটি হ্যাকারের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। এভাবে আপনার একাউন্টটি হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারে। বিভিন্ন একাউন্টে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করে রাখুন। 

  • জিমেইল
  • ফেসবুক
  • মাইক্রোসফট আউটলুক, হটমেইল প্রভৃতি
  • হোয়াটসঅ্যাপ

বিশ্বস্ত ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করতে শিখুন 


বর্তমানে বিশ্বস্ত ইন্টারনেট ব্রাউজার বলতে গেলে গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফট এজ, মজিলা ফায়ারফক্সকে সবচেয়ে বেশি বিবেচনা করা যায়। এগুলোপ্রায় ইউজারই ব্যবহার করে অপেরা ব্রাউজারও ভাল। তবে ইউসি ব্রাউজারের বিশ্বস্ততা নিয়ে এখনো সন্দেহ আছে। 

ইউসি ব্রাউজারের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ জানা গেছে । এমনকি গুগল প্লে স্টোর থেকে ও ইউসি ব্রাউজার একবারেই মুছেও দেয়া হয়েছিল। ইউসি ব্রাউজারে বিভিন্ন প্রকার এড ও ক্লিকবেইট নিউজ/ভিডিও কনটেন্ট শো হয় যা অনেকেরই পছন্দ করেন না। তাই ভালোভাবে  বুঝেশুনে ব্রাউজার ব্যবহার করুন।

ওয়াইফাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান অবলম্বন করুন।

আজকাল বিভিন্ন জায়গায় ফ্রি ওয়াইফাই পাওয়া যায়। এসব ওয়াইফাই হটস্পট ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। এগুলো থেকেও

হ্যাক হতে পারে আপনার গুরুত্বপূর্ন তথ্য তাই ওয়াইফাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান অবলম্বন করুন।

এখন আপনি জেনে গেলেন

ইন্টারনেট টিপস

ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা

ইন্টারনেট এর ব্যবহার

ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম

নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার


Next Post Previous Post
1 Comments
  • Md Nurnobi
    Md Nurnobi May 27, 2022 at 7:41 PM

    Nice post

Add Comment
comment url